https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-1008731222187168 https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js?client=ca-pub-1008731222187168 Bangladesh24: June 2025

Event

Friday, 27 June 2025

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে হত্যার জন্য ব্যাপক তল্লাশি চালায় গুপ্তঘাতকরা।।

আয়াতুল্লাহ খামেনি। ।



 ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার জন্য তাকে ব্যাপকভাবে খুঁজেছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী । তবে তার ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য কার্যকর সুযোগ পাওয়া যায়নি- ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছেন। শুক্রবার (২৭ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে।। 

এর আগে ইসরায়েলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে '' কাটোজ বলেছেন, যদি সম্ভব হতো তাহলে সেনাবাহিনী তেহরানের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাতে খামেনিকে হত্যা করতো!! 

সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়- খামেনিকে হত্যার জন্য এমন একটি হামলা চালাতে কি আমেরিকার অনুমতির প্রয়োজন ছিল?? 

এর জবাবে কাটজ বলেন, এসব ক্ষেত্রে আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির প্রয়োজন হয় না। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েল খামেনিকে হত্যার চেষ্টা করছে।। 

এদিকে ইরানে আমেরিকান হামলা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পর এই প্রথম ভিডিও বার্তা দিয়েছেন খামেনি। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধবিরতির অবসানের দুই দিন পর গতকাল তার মন্তব্য এসেছে।।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে সম্প্রচারিত এক ভাষণে খামেনি বলেছেন, এই সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র যে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা করেছে সেগুলোতে উল্লেখযোগ্য কিছুই ঘটেনি।

 ইরানের এই নেতা বলেছেন, তার দেশ তাদের ঐক্য প্রদর্শন করেছে, তারা এই বার্তা পাঠিয়েছে যে “আমাদের জনগণের কণ্ঠস্বর এক''।


খামেনি বলেছেন, ট্রাম্প তার দেশকে ‘আত্মসমর্পণ’ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মুখের তুলনায় তা খুব বড় মন্তব্য ছিল, বলেন তিনি।

খামেনি বলেছেন, ইরানের মতো একটি মহান দেশ ও জাতির জন্য আত্মসমর্পণের কথা বলাই অপমান। 

খামেনি বলেছেন, ট্রাম্প তার দেশকে ‘আত্মসমর্পণ’ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মুখের তুলনায় তা খুব বড় মন্তব্য ছিল, বলেন তিনি।

খামেনি বলেছেন, ইরানের মতো একটি মহান দেশ ও জাতির জন্য আত্মসমর্পণের কথা বলাই অপমান।

bangladesh84torch.blogspot.com





বাংলাদেশের ৩ ধরনের পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল ভারত।।

বাংলাদেশর ৩ ধরনের পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল ইন্ডিয়া!! 

 

ভারতের সীমান্তের সব স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের পাট, বোনানো কাপড় ও সুতা আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ইন্ডিয়া ।।

আজ শক্রবার (২৭ জুন) ইন্ডিয়ার বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক '' বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। ' প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি থেকে।। 

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইন্ডিয়া -বাংলাদেশ সীমান্তে সব স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কোনো প্রকার পণ্য আমদানি হবে না। এর মধ্যে রয়েছে পাটজাত পণ্য, একাধিক ভাঁজের বোনা কাপড়, একক শণ সুতা বা তন্তু, পাটের একক সুতা, ব্লিচ না করা পাটের বোনা কাপড়।’

যদিও এই পণ্যগুলো স্থলপথ থেকে আমদানি করা যাবে না। তবে ভরত সরকার শুধু মুম্বাইয়ের নহাভা শেভা বন্দর দিয়ে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে।। 


ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে যেসব পণ্য নেপাল ও ভুটানে যাবে, সেগুলোর ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। কিন্তু এসব পণ্য পুনরায় রপ্তানি করা যাবে না।

বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী এবং কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্যের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক দেশ। ভারত সামগ্রিকভাবে বৃহত্তম পাট উৎপাদনকারী হলেও, রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রাধান্য বিস্তার করে; যা বিশ্বব্যাপী রপ্তানির এক উল্লেখযোগ্য অংশ।

 

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে নিজেদের স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ইন্ডিয়া।। ওই সময় এই পণ্য শুধু মহারাষ্ট্রের নহভা শেভা ও কলকাতা বন্দর দিয়ে আমদানির সুযোগ রেখেছিল দেশটি।।

বাংলাদেশ ইন্ডিয়াতে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের ও বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি করে। স্থলবন্দর দিয়ে এই পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এই খাতে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।।
 
সুত্র : 

Bangladesh24

bangladesh84torch.blogspot.com

চীনের সঙ্গে চুক্তি সই করেছেন ট্রাম্প, ভারতের সঙ্গেও ‘বড় চুক্তির’ ঘোষণা

ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র  মোদিজী, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।।।

চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।।


আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা চীনের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে। সেই সঙ্গে তিনি ভারতের সঙ্গেও একই ধরণের একটি চুক্তি করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।। 


বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) হোয়াইট হাউসে ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, 'আচ্ছা, আমরা গতকালই চীনের সঙ্গে চুক্তি সই করেছি,

চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ না করলেও তিনি বলেন, 'চীন চুক্তিতে, আমরা চীনকে উন্মুক্ত করতে শুরু করছি। এমন কিছু, যা আসলে কখনো ঘটতে পারত না।। 

ট্রাম্প আরও বলেন, আমেরিকা ভারতের সঙ্গেও একটি চুক্তি সই করতে পারে। 'আমরা কিছু দুর্দান্ত চুক্তি করছি। আমাদের একটি আসছে, সম্ভবত ভারতের সাথে, এবং খুব বড় একটি, যেখানে আমরা ভারতকে উন্মুক্ত করতে যাচ্ছি।'

 আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, শুল্ক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য আমেরিকা এবং চীনা কর্মকর্তারা চলতি মাসের শুরুতে লন্ডনে বৈঠক করেছিলেন।

গত এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর উল্লেখযোগ্য শুল্ক আরোপ শুরু করে। কিন্তু মে মাসে আমেরিকা ও চীন প্রাথমিক ৯০ দিনের জন্য শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহারে করতে সম্মত হয়।

ট্রাম্প উল্লেখ করেন, আমেরিকা শুল্ক থেকে ৮৮ বিলিয়ন ডলার আদায় করেছে। তিনি বলেন, 'এটা কি সুন্দর জিনিস নয়?

রিপাবলিকান কর ও ব্যায় হ্রাস আইন প্রণয়নের প্রচারণা চালাতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, 'ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল' আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের 'ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলোর মধ্যে একটি'।

ট্রাম্প আরও বলেন, 'একটি বিগ বিউটিফুল বিল' আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করবে, আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে এবং মার্কিন স্বপ্ন ফিরিয়ে আনবে।

গত মাসে হাউসে ব্যাপক ভোটে আইনটি পাস হওয়ার পর সিনেটের রিপাবলিকানরা এখন এটিকে নিম্নকক্ষে অনুমোদনের জন্য ফেরত পাঠানোর আগে পরিবর্তনসহ পাস করার জন্য দৌড়ঝাঁপ চলছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বৃহস্পতিবার বলেন, ৪ জুলাইয়ের সময়সীমার মধ্যে বিলটি সই হবে,, তা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছেন ট্রাম্প। ''আমরা আশা করছি ৪ জুলাইয়ের মধ্যে বিলটি সইয়ের জন্য প্রেসিডেন্টের ডেস্কে থাকবে।'' 




ভারতের জন্য হাই স্পিড মিসাইল তৈরি করছে DRDO

making star missile:

 

এখন কার সময়ে, যুদ্ধ কেবল যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়, প্রযুক্তি এবং প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও লড়াই করতে হয়। যেকোনো হুমকি মোকাবেলার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন এবং এই চিন্তাভাবনা মাথায় রেখেই ভারতের প্রতিরক্ষা সংস্থা ডিআরডিও স্টার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। এই অস্ত্র কনো সাধারণ অস্ত্র নয়, বরং একটি সুপারসনিক লক্ষ্যবস্তু যা আমাদের বায়ুসেনাকে বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অনুশীলনের সুযোগ দেবে। STAR অর্থাৎ সুপারসনিক টার্গেট হল এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্র যা প্রকৃত শত্রুর মতো উড়ে, যাতে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সময়মতো হুমকি শনাক্ত করতে এবং প্রতিক্রিয়া জানাতে শেখানো যায়।
STAR ক্ষেপণাস্ত্র কী ভাবে কাজ করে।। 
DRDO দ্বারা বিশেষভাবে বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রশিক্ষণ এবং আকাশ থেকে আকাশে যুদ্ধ অনুশীলনের জন্য STAR ক্ষেপণাস্ত্রটি ডিজাইন করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি শত্রুর গতি ও গতিবিধি হুবহু অনুকরণ করতে পারে। এর সর্বোচ্চ গতি ম্যাক ২.৫ এর চেয়ে বেশি, অর্থাৎ এটি শব্দের  চেয়ে আড়াই গুণ বেশি দ্রুত উড়তে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্রের উদ্দেশ্য শত্রুকে হত্যা করা নয়, বরং এটি ভারতের বায়ুসেনাকে সেই শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত করে। এটির গতি এবং দিক এত দ্রুত পরিবর্তন করার ক্ষমতা রয়েছে যে এটি বাস্তব জীবনের জন্য বিপদের  পরিবেশ তৈরি করতে পারে।। 

যখন একটি বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করা হয়, তখন প্রকৃত হুমকি মোকাবিলা করার জন্য শত্রুর মতো আচরণ করে এমন ক্ষেপণাস্ত্রের প্রয়োজন হয়। STAR ক্ষেপণাস্ত্রটি সেই প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি বাতাসে দ্রুত ঘুরতে পারে, উচ্চতা পরিবর্তন করতে পারে এবং স্ট্যান্ড-অফ অস্ত্র বা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মতো রুটে উড়তে পারে। এটি বায়ুসেনার অপারেটরদের প্রকৃত অভিযানের আগেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম করবে।।
ভারতে তৈরি, ভারতের জন্য
একটি বিশেষ বিষয় হল STAR ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্পূর্ণরূপে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এতে ব্যবহৃত প্রপালশন সিস্টেম, গাইডেন্স ইউনিট, নেভিগেশন এবং ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেম, সবকিছুই ভারতে ডিজাইন এবং বিকশিত হয়েছে। এতে রিং-লেজার জাইরোস্কোপ এবং আধুনিক সলিড রকেট মোটরের মতো অত্যাধুনিক উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ভারতের স্বনির্ভরতাকে আরও শক্তিশালী করে। এখন ভারতকে এই ধরনের প্রশিক্ষণ ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য বিদেশী দেশের উপর নির্ভর করতে হবে না।

এর উন্নয়ন এখন কতদূর পৌঁছেছে?
ডিআরডিও বর্তমানে তৃতীয় ধাপে অর্থাৎ স্টার ক্ষেপণাস্ত্রের চূড়ান্ত পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। এই পর্যায়ে, বাস্তব উড্ডয়ন পরীক্ষার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রযুক্তিগত ক্ষমতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। যদি এই পরীক্ষাগুলি সফল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে এটি ভারতের বায়ুসেনার প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।। 
ভারতের জন্য STAR কেন গুরুত্বপূর্ণ?
প্রতিটি আধুনিক দেশ, তাদের বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি, তাদের সৈন্যদের বাস্তব পরিস্থিতিতে প্রশিক্ষণও দেয়। ভারতও STAR-এর মতো সিস্টেম নিয়ে একই দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি কেবল সৈন্যদের প্রস্তুতি উন্নত করবে না, বরং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার দিকেও এটি একটি বড় পদক্ষেপ।



Thursday, 26 June 2025

বাংলাদেশিদের জন্য কবে চালু হবে ভারতীয় ভিসা? এবার যা জানা গেল।।

এবার জানা গেল কবে চালু হবে ভারতীয় ভিসা। 


 ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্কে বড় ধরনের ছন্দপতন ঘটেছে তা গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে। ছাত্র বিক্ষোভ ও গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নিলে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে যায় ।

অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের দায়িত্ব নেয়ার পর আস্তে আস্তে সম্পর্ক উন্নত হতে শুরু করলেও এখনও তা স্বাভাবিক হয় নাই । বিশেষ করে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েই গেছে।।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ভিসা আবেদনের কেন্দ্রগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে সীমিত পরিসরে ভিসা আবেদন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়। এরপর ১৬ অগাস্ট ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে বলা হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কেবল সীমিত পরিসরে জরুরি ও মেডিকেল ভিসা ইস্যু করবে ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন। পরবর্তীতে টুরিস্ট ভিসা ছাড়া সবক্ষেত্রেই সীমিত পরিসরে ভিসা দেয়া হচ্ছে বলে জানায় ভারতীয় দূতাবাস।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশিদের আগামী মার্চের থেকে ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা দেয়া হবে। তবে এই দাবির পক্ষে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো সূত্র উল্লেখ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে চ্যানেল 24 অনলাইন।।

দূতাবাসের ভিসা উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টুরিস্ট ভিসা বাদে সবক্ষেত্রেই বাংলাদেশিদের সীমিত পরিসরে ভিসা দেয়া হচ্ছে, তবে টুরিস্ট ভিসা চালুর বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তাছাড়া যেসব বাংলাদেশি ভারতে গিয়ে তৃতীয় দেশে যাওয়ার জন্য ভিসা প্রসেসিং করে তাদের ডাবল এন্টি ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা নিয়ে তা যাচাইবাছাই করে স্লট দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তারা।। 

 

Saturday, 21 June 2025

আমেরিকা থেকে টানা ৩৭ ঘণ্টা উড়েএসে ইরানে হামলা চালায় আমেরিকার বি-২ বোমারু বিমান।।


               আমেরিকার বি২ বোমারু বিমান

আমেরিকার মিজৌরি অঙ্গরাজ্য থেকে উড্ডয়ন করে ৩৭ ঘণ্টার দীর্ঘ ফ্লাইট শেষে ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে _মার্কিন বি-২ বোমারু বিমান। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আমেরিকার কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।


এই কর্মকর্তা জানান, আমেরিকার যুদ্ধবিমানগুলো হামলার সময় একাধিকবার মাঝ আকাশে জ্বালানি পদার্থ নেয়। হামলার লক্ষ্যে বেছে নেওয়া হয় ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে। তিনি বলেন, এই তিনটি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে আমেরিকার তার সর্বাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে।।💥

এই অভিযানে আমেই বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে '' মাদার অব অল বম্বস নামে পরিচিত জিবিইউ-৫৭ বাংকারবিধ্বংসী বোমা, এই বোমারপ্রতিটি ওজন  ৩০ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত । একটি বি-২ বিমান নাতাঞ্জ কেন্দ্রে দুটি বোমা নিক্ষেপ করে, আর ফোর্দো স্থাপনায় ছোড়া হয় এক জনের ও বেশি ।। 

এছাড়া ইরানের নাতাঞ্জ ও ইসফাহান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর দিকে আমেরিকার নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া হয় অন্তত ৩০টি টিএলএএম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র।। কর্মকর্তারা বলছেন, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতাকে স্থায়ীভাবে ধ্বংস করে দেওয়া।।


হামলার পর হোয়াইট হাউস থেকে টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি কূটনৈতিক পথে না ফেরে, তবে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, 'আমরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছি। এটি ছিল আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য অপরিহার্য।'

এদিকে, আমেরিকার এই হামলার বিষয়টি স্বীকার করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।।তবে ইরানের দাবি, যেসব স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলো কয়েকদিন আগেই খালি করে ফেলা হয়েছে।। তাই এসব স্থাপনায় পারমাণবিক উপাদান ছিল না এবং কোনো বিকিরণ ছড়ানোর আশঙ্কাও নেই বলে জানিয়েছে ইরান ।

এই হামলার মধ্য দিয়ে আমেরিকা সরাসরি ইরান-ইসরায়েল চলমান যুদ্ধে জরিয়ে পরল। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের কূটনৈতিক সমাধানের পথ আরও সংকুচিত করে তুলতে পারে।। 



Friday, 20 June 2025


 

পরমাণু ইস্যুতে রেড লাইন স্পষ্ট করল ইরান,আত্মমর্যাদায় আপস নয়।।

ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে চলমান উত্তেজনার মাঝে ইরান তাদের স্পষ্ট কয়েকটি “রেড লাইন” বা সীমাবদ্ধতা জানিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইরান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহরাম আকবারজাদেহ এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক আলোচনা সফল করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত থাকছে, যা অগ্রাহ্য করলে পরিস্থিতি আরও সংকটময় হয়ে উঠতে পারে।

 

    1. ইরান পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে একইসঙ্গে তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, এই প্রকল্প কখনও সামরিক বা অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহার করবে না। এই স্বচ্ছতা ও সহযোগিতার বিনিময়ে ইরান পশ্চিমা বিশ্বের পক্ষ থেকে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো থেকে মুক্তি চায়। এটাই ইরানের প্রথম রেড লাইন। এই রেড লাইন মেনে চললে কূটনৈতিকভাবে সমাধানের পথ খোলা থাকবে।

দ্বিতীয় রেড লাইনটি ইরান বড় শক্তির প্রতি নিজেদের অসহযোগিতা এবং আত্মসমর্পণ না করার সংকল্প। ইরান যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনও দেশের ‘গুন্ডামি’ বা হুমকির কাছে মাথা নত করবে না। বিশেষ করে তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি এবং সামরিক হুমকিকে তারা ‘গুন্ডামি’ হিসেবে গণ্য করে। তাই কোনও ভয়ভীতি কিংবা চাপের মুখে ইরানের জনগণ আত্মসমর্পণ করবে না বা আপস করবে না এবং মাথা নত করতে পারে না ইরানের জনগণ।।

 

অধ্যাপক শাহরাম আকবারজাদেহ আল জাজিরাকে আল জাজিরা টেলিভিশনের এক সাক্ষাৎকারে জানান, ইরানের জন্য কূটনৈতিক আলোচনায় প্রথম শর্ত হলো পশ্চিমা বিশ্বের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা। ইরান তাদের পরমাণু প্রকল্পকে শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করবে এবং এর জন্য আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে খোলামেলা সহযোগিতা করবে। তবে যদি পশ্চিমা বিশ্ব এই শর্ত মানতে রাজি না হয়, তাহলে কূটনৈতিক আলোচনার কোনও ফল আশা করা যাবে না।   
দ্বিতীয় শর্তে ইরান দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছে, তারা কোনও সামরিক হুমকি, বর্বরতা বা রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না। ইরানের জনগণ এবং শাসকগোষ্ঠী এমন হুমকিকে ‘গুন্ডামি’ হিসেবে দেখেন এবং এতে আত্মসমর্পণের কোন চিন্তাই নেই। তারা বিশ্বাস করে যে, এই অবস্থান তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের রেড লাইনগুলো স্পষ্ট করে দেয় যে, পরমাণু ইস্যুতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য দুই পক্ষেরই দায়িত্বশীল ও সম্মানজনক ভূমিকা প্রয়োজন। কূটনৈতিক সমৈঝোতার মাধ্যমে যদি এই সীমাবদ্ধতাগুলো মানা যায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব। অন্যথায়, অগ্রাহ্য হলে সংঘাতের ঝুঁকি বাড়বে এবং উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। 
      তথ্যসূত্র : আল-জাজিরাবিভাগ : আন্তর্জাতিক

রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে পাঁচ শর্ত দিয়েছে??

ডোনাল্ড ট্রাম্প  ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানকে পাঁচটি শর্ত দিয়েছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানা গেছে!! ইসরায়েলের চ্যানেল ১...

দেশের খবর